Description
পাবনা: পাবনা সরকারি অ্যাডওয়ার্ড কলেজের মেধাবী ছাত্রী মৌমিতা খাতুন চুমকিকে অপহরণের ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
অপহৃত মৌমিতার বড় বোন নুপুর খাতুন ও ভগ্নিপতি রবিউল আউয়াল রোববার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অপহৃতা মৌমিতা খাতুন চুমকির বড় বোন নুপুর খাতুন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, পাবনা সরকারি অ্যাডওয়ার্ড কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রথমবর্ষের ছাত্রী মৌমিতা খাতুন চুমকিকে ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথম আটঘরিয়া উপজেলার লক্ষীপুর গ্রাম থেকে স্থানীয় সন্ত্রাসী আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গী গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে সজল ও তার সহযোগীরা অপহরণ করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় অপহৃতার বাবা আয়েন উদ্দিন শেখ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ ৪০ দিন পর ২০ নভেম্বর মৌমিতাকে উদ্ধার করে।
এ সময় অপহৃতাকে সিগারেটের আগুনে ছ্যাঁকা, ব্লেড দিয়ে কেটে লবণ লাগিয়ে নির্যাতন করা হয়। একইসঙ্গে সজল জোরপূর্বক মৌমিতাকে বিয়ে করে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
পরবর্তীতে সজল চক্র মামলা তুলে নিতে দ্বিতীয় দফায় চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি পাবনা শহরের রাধানগর মহল্লায় চুমকি খাতুনের ভাড়া বাড়ির সামনে থেকে তাকে আবার অপহরণ করে।
এ ঘটনায় নুপুর খাতুনের স্বামী সরকারি অ্যাডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষক রবিউল আউয়াল বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার ১০ দিন পার হলেও অপহৃতাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে রবিউল আওয়াল জানান, তার শ্যালিকা মৌমিতা খাতুন চুমকিকে দ্বিতীয় দফায় অপহরণের পর সজল ও তার সহযোগীরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে।
এছাড়া চুমকিকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে তা মোবাইলে শোনানোসহ মামলা তুলে না নেওয়ায় চুমকি এবং তার আত্মীয়স্বজনদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
| Credibility: |
 |
 |
0 |
|
Leave a Comment